
বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ঢাকা-বরিশাল-আমুয়া রুটে চলাচলকারী ‘বরিশাল এক্সপ্রেস’ পরিবহনের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রী হয়রানি এবং চলন্ত গাড়ি থেকে এক যাত্রীকে ফেলে আহত করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, ঈদের পর নির্ধারিত ৬০০-৭০০ টাকার ভাড়ার পরিবর্তে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া টিকিট কাটার পরও আসন না দেওয়া এবং যাত্রীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনা নিত্যদিনের বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
ভুক্তভোগী মনিরুজ্জামান জানান, গত ২৭ মার্চ (শুক্রবার) সন্ধ্যায় তিনি আমুয়া কাউন্টার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় টিকিট কেটে ঢাকার গাজীপুর যাওয়ার উদ্দেশ্যে তালতলা বাজারে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। বাসটি নির্ধারিত স্থানে পৌঁছালে তিনি থামার সংকেত দেন।
কিন্তু বাস না থামানোয় তিনি বাধ্য হয়ে চলন্ত বাসে ওঠার চেষ্টা করেন। তার অভিযোগ, বাসে ওঠার পর সুপারভাইজার তার সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ আচরণ করেন এবং এক পর্যায়ে তাকে ধাক্কা দিয়ে চলন্ত গাড়ি থেকে নিচে ফেলে দেন।
এতে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। মনিরুজ্জামান এই অমানবিক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। এ বিষয়ে আমুয়া কাউন্টার কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। তবে বরিশাল এক্সপ্রেসের ম্যানেজার মো. সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, সরকার নির্ধারিত ভাড়া ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা। এর বেশি নিলে সংশ্লিষ্ট কাউন্টার দায়ী থাকবে।
এছাড়া যে স্টাফ যাত্রীর সাথে খারাপ আচরণ করেছে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মকবুল হোসেন বলেন, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলাদেশ বাণী




