চরমোনাইয়ে নোঙ্গর করা আরেকটি লঞ্চে আগুন

বরিশাল জার্নাল ডেস্ক

এবার কীর্তনখোলা নদীতে নোঙর করে রাখা বিলাসবহুল লঞ্চের কেবিনে আগুন লেগেছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই সংলগ্ন নদীতে নোঙর করে রাখা এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের তৃতীয় তলার ৩২৫ নম্বর কেবিন থেকে ধোয়া বের হতে দেখেন স্টাফরা।

তাৎক্ষণিক তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কেবিনটি তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে তারা জানালার গ্লাস ভেঙে দরজা খুলে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেন। ধারণা করা হচ্ছে, শর্টসা‌র্কিট থে‌কে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। 

লঞ্চের স্টাফরা জানান, এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চটি ঢাকা থেকে চরমোনাই মাহফিলের মুসল্লিদের নিয়ে বরিশালে আসে।

এরপর চরমোনাই মাহফিল প্রাঙ্গণ সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে অন্য সব লঞ্চের সঙ্গে এটিও নোঙর করে রাখা হয়। যেহেতু মুসল্লিরা লঞ্চটিকে রিজার্ভ করেছেন, তাই লঞ্চটি মাহফিল শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখানেই নোঙর করা থাকবে। এ কারণে মুসল্লিরাও তাদের কেবিনে আসা-যাওয়া করে থাকেন। ওই কেবিনে যাদের থাকার কথা, তারা হয়তো মশার কয়েল কিংবা অন্য কিছু জ্বালিয়ে রেখে গিয়েছিলেন।
যা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। 

স্টাফরা জানান, আগুনে কেবিনের ভেতরের আসবাবপত্র, বিছানার তোষক, বা‌লিশ ফ্যান, মুসল্লিদের মালামালসহ অনেক কিছুই পুড়ে গেছে।

তবে স্টাফরা না দেখলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারতো বলে জানিয়েছেন লঞ্চ কোম্পানির ব‌্যবস্থাপক বেল্লাল হোসেন।

তিনি বলেন, ঘটনার সময় কেউ কেবিনে ছিলেন না, এজন্য কোনো হতাহ‌তের ঘটনা ঘটেনি। সেই সঙ্গে স্টাফরা ধোয়া দেখতে পেয়ে ‌তিনতলায় গিয়ে ৩২৫ নম্বর কে‌বিনের জানালার গ্লাস ভেঙে আগুন নিভিয়ে ফেলেছেন।

এতে করে বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে লঞ্চ‌টি। 

তিনি আরও বলেন, আগুনে শুধুমাত্র ৩২৫ নম্বর কেবিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আশপাশের কেবিনগুলো অক্ষত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মশার কয়েল থেকে কিংবা অন্য কোনো কিছুর আগুন থেকে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। যারা ওই কেবিনের যাত্রী ছিলেন তারাই বলতে পারবেন সঠিক কারণ। বাংলা নিউজ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Scroll to Top