বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
গুলিবিদ্ধ মাহিন আইয়ুবপুর গ্রামের ছাদু নেতার বাড়ির আবুল হোসেনের ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় নিজ বাড়ির সামনের রাস্তায় তার বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলছিলেন মাহিন। হঠাৎ একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে কাপড়ে মুখ বাঁধা অবস্থায় ৪/৫ জন সেখানে এসে টর্চ লাইটের আলো জ্বালিয়ে হঠাৎ একটি গুলি করে। গুলিটি তার পাঁয়ে লেগে সে পড়ে গেলে একই স্থানে আবারো গুলি করে তারা দ্রুত সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গুরুতর আহত অবস্থায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শাইখুল আরেফিন শিহাব বলেন, আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম। হঠাৎ কয়েকজন সিএনজিতে করে এসে গুলি করে আবার চলে যায়। তাদের মুখ কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল।
বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আবদুর রহিম জানান, অজ্ঞাত কয়েকজন দুর্বৃত্ত সিএনতে এসে কর্মী মাহিনকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হতে পারে বলে আমরা প্রাথমিক ধারণা করছি। গুলিবিদ্ধ মাহিনকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসকরা ঢাকায় রেফার করেছেন।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. হাসান আল মুলক বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আসার পর রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় আমরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে রেফার করেছি।’
বেগমগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমানউল্লাহ পুরে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।




