
আলী আহমদ মাবরুর
আমাদের কিংবদন্তী দায়িত্বশীল মাওলানা আব্দুস সুবহান রহ. এর পর দ্বিতীয় আরেকজন জনপ্রতিনিধির সন্ধান আমি পেয়েছি যিনি একদম তৃণমূল থেকে শীর্ষে ওঠার যাত্রায় রয়েছেন। তার নাম আব্দুল গফুর। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল গফুর প্রায় ৪৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরীকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
জামায়াত নেতা আব্দুল গফুর এর আগে ৩৩ বছর জনপ্রতিনিধি ছিলেন। সর্বপ্রথম দুইবার ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার, তিনবার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, একবার উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে প্রথমবার সংসদ নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। তার জীবনের কোনো নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন নাই।
তার মরহুম পিতাও ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ছিলেন। পরে তিনি মেম্বার হন। এরপর একটানা ১৫ বছর ছিলেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে ইউপি চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ করে মিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও আব্দুল গফুর বিপুল ভোটে জয়ী হন।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি এখন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারী জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে হার্ট এ্যাটাক করে ইন্তেকাল করেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল হাশেম। এরপর থেকে জনাব আব্দুল গফুর ভারপ্রাপ্ত হিসেবে এই দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন।
জনগণের নেতা জনপ্রতিনিধি আব্দুল গফুরের জন্য অনেক অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইলো।
লেখকের ফেসবুক টাইমলাইন থেকে নেয়া




